1. news1@dailydeshsangbad.com : admin :

শিরোনাম
রাজধানীর গুলশানের নদ্দা এলাকার মোড়ল বাজারে এক নারীকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনে  অভিযোগ পাওয়া গেছে। জামালপুরে শেষদিনে ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল প্রথম সুপারমুন দেখা যাবে শনিবার বিএনপির উদ্দেশে যা বললেন রুমিন ফারহানা মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধের ডাক এমবিসিবির জানুয়ারিতে তীব্র শীতের আভাস, আসছে ৫ শৈত্যপ্রবাহ মুসলিম বিশ্বের স্মরণকালের বৃহৎ এই জানাজায় অংশ নেয় লাখ লাখ মানুষ। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য রুমিন ফারহানসহ ৯ জন নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিতব্য জানাজায় নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশেষ ও পৃথক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদীতে কুমিরের দেখা মিলেছে।
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

কোটি টাকা নিয়ে এনজিও পরিচালক পলাতক, গ্রেপ্তার ৬

নিজস্ব সংবাদদাতা / ১৯৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের ‘মা ও শিশু কল্যাণ সংস্থা’ নামের একটি বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) সিনিয়র পরিচালক মোকসেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে উচ্চ মুনাফার প্রলোভনে শত শত গ্রাহকের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এনজিওর ছয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে এনজিওটির কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষুব্ধ শতাধিক গ্রাহক। তারা এনজিওর নগর কার্যালয়ের ছয়জনকে অবরুদ্ধ করলে খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে এক ভুক্তভোগী গ্রাহকের করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। 

গ্রেপ্তাররা হলেন— এনজিওটির ম্যানেজার শামীমা খাতুন (৩৫), ক্যাশিয়ার সুমেরা খাতুন (৩৪), ফিল্ড অফিসার মনোয়ারুল হক (৩৫), ফিল্ড অফিসার হালিমা খাতুন (৩৩), কর্মী নাফিসা (২২) এবং বাবুর্চি দুলভ বেগম (৩৬)।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, ‘২০১১ সালে খাইরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি এনজিওটি প্রতিষ্ঠা করেন। ২০২২ সালে তার মৃত্যুর পর মালিকানা পান স্ত্রী হীরা মনি।তার হয়ে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতেন মোকসেদুল ইসলাম।’

 

তিনি আরো জানান, এনজিওটি বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ক্ষুদ্রঋণ (মাইক্রোক্রেডিট) ভিত্তিক নয়। বরং প্রতিষ্ঠানটি ‘উচ্চ মুনাফা’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে দলিলের (ডিড) মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করত। সাম্প্রতিক সময়ে অনেক গ্রাহক টাকা ফেরত না পাওয়ায় উদ্বিগ্ন ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ