1. news1@dailydeshsangbad.com : admin :

শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গৃহবধূ হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।  মেঘনায় স্পিডবোট দুর্ঘটনায় অস্ত্রসহ পুলিশ সদস্য নিখোঁজ ভারতের কারাগারে মৃত্যু, খাইরুজ্জামালের লাশ ৩৮ দিন পর ফেরত দিলো ঈদের দিন ঝড়-বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা সৌদি আরবে ঈদ শুক্রবার দেশ ও সমাজকে অপরাধমুক্ত করতে সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে সমাজকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলা সম্ভব ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী ডেঙ্গু প্রতিরোধে সোনারগাঁয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান। প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন ফতুল্লার গাবতলী এলাকায় বকেয়া বেতন, ওভারটাইমের মজুরি ও বোনাসের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন গার্মেন্টস শ্রমিকরা। জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ চলাকালে বিরোধী দলের ওয়াকআউট ও প্রতিবাদের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুখ খুলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

রাজধানীর গুলশানের নদ্দা এলাকার মোড়ল বাজারে এক নারীকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনে  অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নিজস্ব প্রতিনিধি / ২৩৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬

রাজধানীর গুলশানের নদ্দা এলাকার মোড়ল বাজারে এক নারীকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনে  অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার ফেসবুকে এক নারীর প্রতি এমন সহিংসতার এক ভিডিও ভাইরাল হয়।

গত ২ জানুয়ারি শুক্রবার চুরির অভিযোগ তুলে ওই নারীকে খুঁটিতে বেঁধে পানি ঢেলে নির্যাতন করা হয়। গতকাল রাতে নির্যাতনে সম্পৃক্ততার অভিযোগে গুলশান থানার পুলিশ পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে নিয়েছে। তবে ওই নারীকে পুলিশ খুঁজে পায়নি।

আজ রোববার গুলশানায় থানায় গিয়ে কথা হয় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রাকিবুল হাসানসহ গতকাল অভিযানে যাওয়া পুলিশদের সঙ্গে। তারা জানান, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি গতকাল পুলিশের নজরে আসে। স্থানটি গুলশান থানাধীন নদ্দা এলাকার মোড়ল বাজার বলে শনাক্ত করা হয়। রাত সাড়ে ১০টায় পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তারা ঘটনাস্থল মারকাজুত তালিম আল ইসলাম মাদ্রাসায় পৌঁছান।

পুলিশের কাছে মাদ্রাসার লোকজনের ভাষ্য ছিল, সেদিন সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে সাতটার মধ্যে মাদ্রাসার দুই শিশুশিক্ষার্থী দেখতে পায়, ওই নারী মাদ্রাসার লোকমান নামের একজন শিক্ষকের কক্ষে তার হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখা পাঞ্জাবির পকেটে হাত দিচ্ছেন। শিশুশিক্ষার্থীরা চিৎকার করলে পাশের কক্ষ থেকে একরাম নামের আরেক শিক্ষক বেরিয়ে আসেন এবং ওই নারীকে আটক করেন। ওই নারীকে তারা পুলিশে সোপর্দ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এত সকালে ‘পুলিশ কোথায় পাবেন’—সেই চিন্তা করে নারীকে নিজেরাই ‘শাস্তি’ দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। শাস্তির প্রক্রিয়া হিসেবে নারীকে বেঁধে পানি ঢেলে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর কয়েকজন ওই নারীকে উত্তরাগামী একটি বাসে তুলে দেন।

দল বেঁধে ওই নারীর ‘শাস্তি’ দেখতে থাকা কেউ একজন ভিডিও করে ফেসবুকে পোস্ট করেন। পুলিশ ভিডিও দেখে পাঁচজনকে শনাক্ত করেছে। তবে ওই নারীকে এলাকার কেউ চিনতে পারেননি। ওই নারী ওই এলাকার নন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ এখন পর্যন্ত ওই নারীকে শনাক্ত করতে পারেনি।

ওই নারী কীভাবে মাদ্রাসায় শিক্ষককের কক্ষে ঢুকতে পারলেন, সেই প্রশ্নেরও উত্তর মিলছে না।

ওসি মো. রাকিবুল হাসান সংবাদমাধ্যমকে জানান, ভিডিও দেখেই পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেয়। রাতেই পাঁচজনকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় মামলা হয়নি। পুলিশের একটি দল ভুক্তভোগী নারীর খোঁজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ