গ্রেপ্তাররা হলেন— এনজিওটির ম্যানেজার শামীমা খাতুন (৩৫), ক্যাশিয়ার সুমেরা খাতুন (৩৪), ফিল্ড অফিসার মনোয়ারুল হক (৩৫), ফিল্ড অফিসার হালিমা খাতুন (৩৩), কর্মী নাফিসা (২২) এবং বাবুর্চি দুলভ বেগম (৩৬)।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, ‘২০১১ সালে খাইরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি এনজিওটি প্রতিষ্ঠা করেন। ২০২২ সালে তার মৃত্যুর পর মালিকানা পান স্ত্রী হীরা মনি।তার হয়ে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতেন মোকসেদুল ইসলাম।’
তিনি আরো জানান, এনজিওটি বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ক্ষুদ্রঋণ (মাইক্রোক্রেডিট) ভিত্তিক নয়। বরং প্রতিষ্ঠানটি ‘উচ্চ মুনাফা’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে দলিলের (ডিড) মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করত। সাম্প্রতিক সময়ে অনেক গ্রাহক টাকা ফেরত না পাওয়ায় উদ্বিগ্ন ছিলেন।







