সারা দেশে পরিচিত স্যাটেলাইট টেলিভিশন ‘সি এনএন বাংলা টিভি’—যা সেন্টাল ন্যাশনাল নেটওয়ার্ক বাংলা লিমিটেড-এর একটি প্রতিষ্ঠান—তার প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহীন আল মামুনকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের একটি অংশে সাম্প্রতিক সময়ে ভুয়া, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কিছু অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত এসব সংবাদকে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যমূলক ও মানহানিকর বলে দাবি করেছে।
জানা গেছে, বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে শাহীন আল মামুনের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি ছাড়াও নানা অসত্য অভিযোগ তুলে ধরে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে—এসব সংবাদে যথাযথ তথ্যসূত্র, আইনি নথি বা প্রমাণ ছাড়াই তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।
সি এনএন বাংলা টিভির অভ্যন্তরীণ একটি সূত্র জানায়, এসব ভুয়া ও বানোয়াট তথ্য প্রকাশের পেছনে “ব্যক্তিগত স্বার্থবাদী একটি চক্র” সক্রিয় রয়েছে, যারা প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
শাহীন আল মামুন: বহুমুখী সৃজনশীল ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিত্ব
মিডিয়া অঙ্গনে সুপরিচিত শাহীন আল মামুন শুধু সি এনএন বাংলা টিভির প্রধান নির্বাহীই নন, তিনি জাতীয় দৈনিক দৈনিক দেশ সংবাদ–এর সম্পাদক ও প্রকাশক। পাশাপাশি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, সৃজনশীল সূরকার ও গীতিকার হিসেবেও তিনি সুনাম অর্জন করেছেন।
সহকর্মীরা জানিয়েছেন—সৎ, শান্ত, ইতিবাচক মননের একজন মানুষ হিসেবে বহু বছর ধরে তিনি মিডিয়া ও ব্যবসা অঙ্গনে কাজ করে যাচ্ছেন। তাই কোনো প্রমাণ ছাড়াই তাকে জড়ানো এসব অপপ্রচার শুধু মানহানিকরই নয়, বরং দেশের মিডিয়া জগতে একটি প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপপ্রয়াস।
আইনি প্রক্রিয়া চলছে
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে—দায়িত্বহীনভাবে মিথ্যা ও অপপ্রচারমূলক সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। সংশ্লিষ্ট অনলাইন পোর্টালের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ফৌজদারি আইন ও মানহানি আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে সি এনএন বাংলা টিভির এক কর্মকর্তা বলেন—
“যে কোনো গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে। তবে স্বাধীনতার নামে মিথ্যাচার, চাঁদাবাজি বা উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের প্রতিষ্ঠানের সম্মান ও আমাদের এমডি-র ব্যক্তিগত মর্যাদা রক্ষায় সব ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
মিডিয়া বিশ্লেষকদের মতামত
মিডিয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, অনলাইন প্ল্যাটফর্মের অনিয়ন্ত্রিত সংবাদ পরিবেশনা অনেক সময় ব্যক্তির সুনামহানি ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা যাচাই-বাছাই, নথিপত্র সংগ্রহ ও বিবাদী পক্ষের বক্তব্য নেওয়া—প্রফেশনাল সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি। এসব বাদ দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।